Skip to main content

Freelancing Website Works

 আসসালামু আলাইকুম

আপনারা সবাই ভালো আছেন। আশাকরি আপনারা কাজটি সততার সাথেই করবেন। 

আপনাদের যে কাজগুলো করতে হবে তাহলোঃ 

গুগলে অথবা ইউটিবে গিয়ে সার্চ দিবেন এই নাম দিখে    "হেডশট মারাই আমার নেশা | Headshot Only Red | Free Fire "






  1. তার পরে ছবির সাথে মিলিয়ে ভিডিওতে প্রবেশ করুন।
  2. তার পরে চ্যানেলটি সাবস্ক্রাইব করবেন। (স্ক্রিনশট দিবেন)
  3. ভিডিওটির সম্পূর্ণ দেখবেন, তারপরে কয়বার বাংলাদেশের পতাকার  ব্যাবহার করা হইছে , তা কমেন্ট এ বলুন। (স্ক্রিনশট দিবেন)
  4. লাইক করবেন। (স্ক্রিনশট দিবেন)

যারা কাজটি সুন্দরভাবে করবেন তারা দ্রতই পেমেন্ট পাবেন।

Important Notice:  আপনি যদি আমার চ্যানেলটি সাবস্ক্রাইব করে থাকেন, তাহলে এই কাজটি আপনার জন্য নাহ। আর যদি আন-সাবস্ক্রাইব করে আবার সাবস্ক্রাইব করে জমা দেন। আর যদি ধরা পড়েন তাহলে পেমেন্ট পাবেন নাহ।


নীল কালারের লেখার প্রমান দিবেন।



Comments

Post a Comment

Thanks for comment

Popular posts from this blog

অ্যামাজনের ভয়ংকর প্রাণীরা

  পৃথিবীর সবচেয়ে বড় জঙ্গল অ্যামাজন। যা অদ্ভুত ও ভয়ংকর প্রাণীদের আবাসস্থল। পৃথিবীর সব রেইনফরেস্টের দ্বিগুণ। যেখানে পুরো পৃথিবীর তিন ভাগের এক ভাগ প্রাণী বাস করে। অ্যামাজনের আকর্ষণীয় ও ভয়ংকর প্রাণীদের আদ্যোপান্ত লিখেছেন-   তকিকুল ইসলাম ব্ল্যাক কেইম্যান (Black Caiman) অ্যামাজনে কত রহস্য লুকিয়ে আছে তা বলে শেষ করা যাবে না। পাশাপাশি আছে ভয়ংকর প্রাণীদের চলাচল। কুমিরকে যতটা ভয় তার চেয়ে ঢের ভয় ব্ল্যাক কেইম্যানকে। অনেকে ব্ল্যাক কেইম্যানকে বলে থাকে কুমিরের চাচাতো ভাই। কুমিরের চেয়েও অনেক বেশি ভয়ংকর ব্ল্যাক কেইম্যানের জলে একক রাজত্ব। একসময় অ্যামাজন জঙ্গল থেকে এই প্রজাতিটি বিলুপ্তির পথে ছিল। কিন্তু শিকারের কঠিন আইন এদের বিলুপ্তির হাত থেকে অনেকটাই বাঁচিয়েছে। গাঢ় রঙের চামড়া ব্ল্যাক কেইম্যানকে খুব সহজে ছদ্মবেশ ধারণ করতে সাহায্য করে। বিশেষ করে শিকার করার সময় এই ছদ্মবেশ ধরা বেশ কাজের। পিরানহা এদের প্রধান শিকার। তবে পিরানহা ছাড়াও বিভিন্ন ধরনের মাছও এরা ধরে। কখনো কখনো এরা হরিণ এমনকি অ্যানাকোন্ডাকেও আক্রমণ করে বসে। টিকে থাকার লড়াইয়ে ব্ল্যাক কেইম্যানকে অ্যামাজনের অন্যতম উদাহরণ হিসেবে দেখে অনেকে। বুলে...

যেখানে নিষিদ্ধ পর্যটক

    রহস্য আর রোমাঞ্চঘেরা অসংখ্য স্থান রয়েছে পৃথিবীতে। যার কোনো কোনোটি আবার বিস্মিত করে চলেছে যুগের পর যুগ। বিশ্বে এমন কিছু স্থান রয়েছে, যেখানে ভ্রমণ নিষিদ্ধ। জানাচ্ছেন -  তকিকুল ইসলাম মেট্রো-২, মস্কো পৃথিবীর সবচেয়ে বড় আন্ডারগ্রাউন্ড সিটি মস্কোর মেট্রো-২। এ যেন এক অজানা রাজ্য। শোনা যায়, স্ট্যালিন ক্ষমতায় থাকাকালীন শহরটি তৈরি করা হয়েছিল। এটি নাকি স্টালিনের গোপন স্কেপ রুট (যে গোপন পথ ধরে পালানো যায়)। যদিও ক্রেমলিনের তরফ থেকে কখনই এর অস্তিত্ব স্বীকার করা হয়নি। রাশিয়ার গোয়েন্দা সংস্থা কেজিবির প্রজেক্ট ছিল এটি। যার কোডনেম ডি-৬। শোনা গেছে, সাধারণ মেট্রো থেকে এটি অনেক প্রশস্ত। চার রেল লাইনের মেট্রো চলাচল করে মাটির ৫০ থেকে ২০০ মিটার নিচ দিয়ে। মেট্রোটি নাকি সরাসরি ক্রেমলিন ও এফএসবি হেড-কোয়ার্টারের সঙ্গে সংযুক্ত। নর্থ সেন্টিনেল দ্বীপ, আন্দামান  রহস্যঘেরা নিষিদ্ধ দ্বীপ নর্থ সেন্টিনেল। এটি বঙ্গোপসাগরে অবস্থিত আন্দামান-নিকোবর দ্বীপপুঞ্জের অন্তর্গত প্রবাল প্রাচীরে ঘেরা নিষিদ্ধ ও ভয়ংকর দ্বীপ। দ্বীপটিতে বসবাসকারী অধিবাসীদের বলা হয়, সেন্টিনেলিজ। যাদের সঙ্গে সমগ্র বিশ্বের কোনো যোগাযোগ ...